দিরাই প্রতিনিধী ঃঃ
সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার চরনারচর ইউনিয়নের কার্তিকপুর পূর্বহাটি জামে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্হর উদ্ভোধন।
১১ই অক্টোবর সকাল ১০ টায় মসজিদের নির্ধারীত স্হানে মসজিদ কমিটির সভাপতি শামসুদ্দীন মিয়ার সভাপতিত্বে মাওঃ জহিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় উদ্ভোধক ও প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্হিত ছিলেন সুপ্রীম কোর্টের আইনজিবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ শিশির মনির ।
মসজিদ ও মাদ্রাসা হল আল্লাহর ঘর ও নবিজীর ঘর। যেই ঘরের রক্ষনাবেক্ষনির মালিক একমাত্র আল্লাহ। মানুষ শুধুমাত্র একটা উছিলাহ। কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা থাকলেই দান করার মন মানসিকতা হয়না আর টাকা না থাকলেও শ্রম ও মেধা দিয়ে নিজের সাধ্যমতে চেষ্টা চালিয়ে গেলেই আল্লাহতাআলা গায়েবি খুদরতের মাধ্যমে সবই কবুল করেন। মসজিদ মাদ্রাসাগুলো সাহাবিদের সময়ে ছিলো নামাজ আদায়ের পাশাপাশি ধর্মীয় আলোচনা,ধর্মীয় ক্লাস, রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা ও ইমানী আমল ও কাজকে সফলতা দেওয়ার এক পরামর্শখানা ।দিনে দিনে মসজিদ এখন শুধু নামাজ আদায় পর্যন্তই সিমাবদ্ধ ।নামাজ শেষদিকে তালাবদ্ধ করে রাখা হচ্ছে প্রতিটা মসজিদ ।মসজিদ কমিটির দায়িত্বশীলদের ইচ্ছে মতামতে ও তাদের বেধে দেওয়া নিয়মেই পরিচালিত হচ্ছেন ইমামগন ।আমাদেরকে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যায় করে ঝাকজমকপূর্ণ মসজিদ নির্মাণ করে শুধু সৌন্দর্যমন্ডিতএকরে রাখলেই চলবেনা। মসজিদ নির্মান শেষে ফজরের পরে ইসলামিক পাঠদান, বাচ্ছাদের পড়াশোনার জন্য সুন্দর ব্যবস্হাপনা হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করতে হবে ।তবেই প্রতিটা বাচ্ছারা শিশু ও শৈশব থেকেই দ্বীনি শিক্ষা ও আমলে বড় হবে। দেশ ও জাতি গঠনে একদিন তারাই সঠিক পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবে।
এসময় উপস্হিত ছিলেন দিরাই উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ গোলাপ মিয়া ,চরনারচর ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দীন, শালিস ব্যাক্তিত্ব হাসান আলী, মোঃ হাদিস মাস্টার ,আতাউর রহমান, সাংবাদিক ইমরান হোসেন, ডিএসএস প্রী ক্যাডেট একাডেমী চেয়ারম্যান শাহজাহান সিরাজ, সমাজ সেবক হারুন মিয়া ,মাওঃ সোলায়মান হক, সমাজ সেবক রুকনুজ্জামান জহুরী ,মাসুকুর রহমানসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিগন।
উদ্ভোধনী আলোচনাসভা শেষে ফিলেস্তিন ও ইসরাইলী যুদ্ধে শান্তি কামনায় ও মুসলিম উম্মাহর সকলের জন্য দোয়া করেন । দেশবাসীর সকলের কাছে মসজিদ নির্মাণে সহযোগীতায় ও দানকারীদের জন্য মোনাজাত করেন মুফতী তাজ উদ্দীন হাবিবী।
Leave a Reply